Breaking News
Home / Health / প্রতিদিন ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা সারা জীবণ থাকবে ২৫ বছরের যুবকের মতো।

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা সারা জীবণ থাকবে ২৫ বছরের যুবকের মতো।

প্র’তিদিন ঘুমাবার আগে – সে’ক্স বাড়ানো জ’ন্য যৌ’ন শ’ক্তি বর্ধক tablet খাবেন না। এই ঔষধ পু’রুষকে ধ্বজভংগ রো’গের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মা’নুষকে মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানো জ’ন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজ’ন নেই।

গবেষনায় দেখা যায় পু’রুষের পুষ্টিকর খাদ্য (food) খাওয়ার মাধ্যমে যৌ’ন শ’ক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দু’ধ ও ডিমের ভূ’মিকা অসা’ধা’রন। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গু’রুত্বপূর্ন ভূ’মিকা রাখতে পারে। এজ’ন্য অবশ্যই অ’ভিজ্ঞ ও রে’জিষ্টার্ড হাকীমের প’রামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌ’ন শ’ক্তিবর্ধক tablet কেনা থেকে বি’রত থাকুন। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আ’ছে ব’লে বি’জ্ঞান বিশ্বা’স করেন না। যারা আ’পনাকে মন্ত্র পড়ে স’হবা’সের প’রামর্শ দেয়, তারা নিছক আ’পনার সা’থে প্র’তারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা প’রামর্শের জ’ন্য রে’জিষ্টার্ড চিকিত্সকের প’রামর্শ নিন।

এখন আসি আসল কোথায় প্র’তি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সা’থে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই। না হলে আমাদের কমেন্ত বক্স এ জা’নাবেন। তবে এখানে মধু খাটি হতে হবে। অন্যথায় স’ব বিফলে যাবে গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বী’র্যস্খলনের স’ময় কাল কা’র্যকরী ও পা’র্শ্বপ্র’তিক্রিয়াহীন ভাবে

বাড়ায়। জিনসেং মূ’লটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং বর্তমা’নে সারা বি’শ্বে একটি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূ’লে রয়েছে বি’শেষ রো’গ প্র’তিরো’ধকক্ষ’মতা। হাজার বছর ধ’রে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূ’ল বিভিন্ন রো’গের প্র’তি’ষেধক, শ’ক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জিনসেং জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গো’পন ক্ষ’মতা বাড়ে কেন? জানুন জিনসেং ইংরে’জিতে প’রিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূ’লবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বি’শেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা প’রিবেশে জ’ন্মে।শ’ক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আ’ছে। জিনসেং শব্দটা উ’চ্চারণের সা’থে যে দেশটির নাম উ’চ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেং কিজিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা ব’লে থাকে আসলে জিনসেং কী? হলো গাছের মূ’ল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধ’রে কোরিয়াতে জিনসেং ও’ষুধি গুণাগুণের জ’ন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং গাছের মূ’ল রো’গ প্র’তিরো’ধক এবং ইংরে’জিতে বললে বলতে হয় ।

জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর পুরো মূ’ল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূ’ল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নি’র্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে ম’দও তৈরি হয়।

এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাদ্য (food)উপকরণ। জিনসেং কে বলা হয় বা আশ্চ’র্য লতা। চীনে স’হস্র বছর ধ’রে জিনসেং গাছের মূ’ল আশ্চ’র্য রকম শ’ক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন।চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সা’ধা’রণত দেখা যায় জিনসেং ও স’বুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার প’রে ভাবলাম যে এই

আশ্চ’র্য লতার গুন কে আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাই’নিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা ত’থ্য। আমাদের দেশের মা’নুষেরা এটা স’ম্প’র্কে কম-ই জানেন। তাই জিনসেং স’ম্প’র্কে একটি প’রিপূর্ণ ধা’রণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট।

জিনসেং :
মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনস’ম্পন্ন হিসেবে প’রিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং (ginseng) অ’পেক্ষাকৃত বেশি কা’র্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং (ginseng) কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং। প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ “panacea” থেকে যার অর্থ হলো বা স’র্ব রো’গের ঔষধ। জিনসেং (ginseng) সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা স’মেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা স’মেত অবস্থায় এটি অধিক কা’র্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কা’র্যক্ষ’মতার জ’ন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আ’ছে, যা জিনসেং ব’লে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং (ginseng) না।

জিনসেং (ginseng) ও লিংগোত্থানে অক্ষ’মতাঃ
জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে স’বচেয়ে বেশী যা প্রমা’নিত তা হলে, পু’রুষের লিংগোত্থানে অক্ষ’মতা রো’ধে এর ভূ’মিকা। ৪৫ জ’ন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অ’ক্ষ’ম ব্যাক্তি) এর রো’গীর উপ’র একটি প’রীক্ষা চা’লান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জ’ন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং (ginseng) খেতে দেয়া হয়, এরপ’র দুই সপ্তাহ বি’রতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জা’নান যে, জিনসেং (ginseng) গ্রহনের স’ময় তাদের লিংগোত্থান স’হজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জ’ন ব্যাক্তির উপ’র করা এবং এ ৯০ জ’ন ব্যাক্তির উপ’র করা অনুরুপ আরো দু’টি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বি’জ্ঞানীরা আ’বি’ষ্কা’র করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে স’হায়তা করে। পু’রুষের যৌ’নাংগে নামে বি’ষেশ ধরণের

টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু র’ক্তে প’রিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘ’টায়। জিনসেং সরাসরি দে’হে নাইট্রিক অক্সাইডের প’রিমা’ন বাড়িয়ে লিংগোত্থানে স’হায়তা করে। জিনসেং ও দ্রু’ত বী’র্যস্খলন

যদিও কাচা জিনসেং (ginseng) এর মূ’ল এই রো’গে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জা’না যায়না তবে জিনসেং (ginseng) এর তৈরী একটি ক্রীম পু’রুষদের দ্রু’ত বী’র্যস্খলন রো’ধে বিশ্বব্যা’পী ব্যবহার হয়ে আসছে যা মি’লনের একঘন্টা আগে লি’ঙ্গে লাগিয়ে রে’খে মি’লনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী

এটি বী’র্যস্খলনের স’ময় কাল কা’র্যকরী ও পা’র্শ্বপ্র’তিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং (ginseng) শব্দটাই এসছে চাই’নিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পু’রুষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌ’নতা বৃ’দ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জ’ন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা স’হ মা’নুষের মত)।

জিনসেং বলতে বুঝায় বিভিন্ন মা’নসিক ক্ষ’মতা যেমন মনযোগ, স্মৃ’তিশ’ক্তি, ক’থা শোনার সা’থে সা’থে বুঝতে পারার ক্ষ’মতা,ক’ল্পনাশ’ক্তি, শেখার ক্ষ’মতা, বি’চারবুদ্ধি, চি’ন্তা শ’ক্তি ও স’মস্যা স’মাধান করে কোন একটা সি’দ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষ’মতা। সোজা ভাষায় বলতে

গেলে মা’নুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্তের উপ’র সরাসরি কাজ করে মা’নসিক ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি করে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জ’ন সুস্বাস্থ্যবান যু’বার উপ’র গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং (ginseng) গ্রহন তাদের প’রীক্ষার স’ময় পড়া মনে রাখার ব্যা’পারে পজিটিভ ভূ’মিকা রে’খেছিল।

একই জার্নালে ২০০০ সালে করা একটি গবেষনা, যু’ক্তরা’জ্যের ক’র্তৃক ৬৪ জ’ন ব্যাক্তির উপ’র করা একটি গবেষনা এবং চীনের ক’র্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপ’র করা একটি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যব’য়স্ক ও বৃ’দ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশ’ক্তি ও সার্বিক বৃ’দ্ধিতেও স’হায়ক ব’লে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত ইদুরের উপ’র করা গবেষনা অনুযায়ী

জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিন’ষ্টকারী রো’গ যা স্মৃ’তিশ’ক্তি বিন’ষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হা’ন্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেস’ব প্র’তিরো’ধে ভূ’মিকা রাখে। জিনসেং ও ডায়াবেটিস ২০০৮ সনে ১৯ জ’ন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রো’গীর উপ’র করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং (ginseng) টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কা’র্যকরী ব’লে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কো’লেস্টে’র এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং (ginseng) গ্রহণ খা’রাপ কো’লেস্টে’রল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও ভা’লো কো’লেস্টে’রল বা এর মাত্রা বাড়াতে স’হায়তা করে।

About admin

Check Also

চা পানে বাড়বে বুদ্ধি

নিয়মিত চা পানে মানুষের বুদ্ধি বাড়ে এমনটাই উঠে এসেছে সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনইউএস) এক গবেষণায়। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.