Breaking News
Home / Education / আসন ফাঁকা রেখেই ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি

আসন ফাঁকা রেখেই ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি

আসন ফাঁকা রেখেই ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম খুব নিকটে চলে আসায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এদিকে ২০২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪ নভেম্বরের মধ্যে তিনটি ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়। ফল প্রকাশের পর নিজেদের নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। তবে প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ই শিক্ষার্থী সংকটে ভুগছে। আসন পূরণে বারবার ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী পাচ্ছে না তারা।

সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী খরায় ভুগছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২ হাজার ৯৫টি আসনের বিপরীতে তিনটি ইউনিটে ভর্তি হয়েছে ৮২৫ জন। এখনো ১ হাজার ২৭০ আসন খালি রয়েছে। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৫৫০টি আসনের মধ্যে ২৭৪টি, ‘বি’ ইউনিটে ১০৯৫টি আসনের মধ্যে ৭৪৬টি ও ‘সি’ ইউনিটে ৪৫০ টি আসনের মধ্যে ২৫০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। আসন পূরণে তৃতীয় বারের মতো ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে এই বিজ্ঞপ্তিতেও শিক্ষার্থী না পাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপ্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা।

জবিতে প্রথম বর্ষে আসন সংখ্যা দুই হাজার ৭৬৫টি। সপ্তম মেধাতালিকা প্রকাশের পরও বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য বিভাগে ৫৪৩টি আসন ফাঁকা রয়ে গেছে। লোকপ্রশাসন বিষয়ে ৮০টি আসনের বিপরীতে সাতবার মেধাতালিকা প্রকাশ করে ৫৯ জন শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম নিকটে চলে আসায় আসন ফাঁকা রেখেই ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত আসলে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইমদাদুল হক বলেন, আসন ফাঁকা থাকলেও আমাদের ক্লাস শুরু করতে হবে। কেন না ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এই অবস্থায় খুব বেশিদিন স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম চলমান রাখার সুযোগ নেই। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কিছু আসন ফাঁকা রয়েছে। এই আসনগুলো পূরণে তৃতীয় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। আশা করছি আমাদের এই আসনগুলো পূরণ হয়ে যাবে। তৃতয়ি বিজ্ঞপ্তিতেও যদি সেভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি না হয় তাহলে আমরা গণবিজ্ঞপ্তি দেব। এরপর আর অপেক্ষা করবো না। প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু করে দেয়া হবে। আসন ফাঁকা থাকলেও ক্লাস শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০১ জন। তবে সিলেকশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করায় ২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৫ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সব মিলিয়ে আসন রয়েছে ২২ হাজার ১৩টি।

About admin

Check Also

গুগলে ডাক পেলেন বাংলাদেশি আদ্রীকা, বার্ষিক বেতন ১ লাখ ডলার

গুগলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন বাংলাদেশের আদ্রীকা খান। বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জের আলী ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.