Breaking News
Home / Education / এমবিবিএস ডাক্তার হলেন গায়িকা ঐশী

এমবিবিএস ডাক্তার হলেন গায়িকা ঐশী

নোয়াখালীর ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী সংগীতাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন। ২০১৫ সালে প্রকাশ পায় ‘ঐশী এক্সপ্রেস’ অ্যালবাম। তারপর থেকে দিনকে দিন তিনি নিজের গানের জায়গায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে চলেছেন। গায়িকা সেরা গায়িকা হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।

গানের পাশাপাশি তিনি যে মেডিকেলের ছাত্রী ছিলেন, এটা হয়তো অনেকেই জানতেন না। তবে এবার সবাই জেনে গেছে তিনি এমবিবিএস পাস করেছেন। ১৮ অক্টোবর ঐশীর এমবিবিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আর এই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় ঐশীর পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা। বন্ধু-শুভাকাঙক্ষীদের অনেকেই ঐশীকে অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসাচ্ছেন। এমবিবিএস পাসের ফল পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত ঐশী বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।

আমি এখন ডাক্তার ঐশী।’ ঐশী আরও বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম সেরা। ডাক্তারী পড়ার স্বপ্নটা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। অনেক ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্টের ফল আজকের এই অর্জন। এই সময়টায় বিভিন্নভাবে যারা আমাকে সাপোর্ট করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

জানা গেছে, ঐশী ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে রাজধানীর এম এইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। ২০২০ সালের নভেম্বরেই তার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্ত করোনার কারণে তা পিছিয়ে যায়। সোমবার (১৮ অক্টোবর) ঐশীর এমবিবিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশ পেয়েছে এবং তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। দীর্ঘ সময়ের যাত্রা সম্পন্ন করে চিকিৎসক হয়ে বের হলেন তিনি।

ঐশী তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘আমার সারা জীবনের কষ্ট সার্থক হলো। আজকের এই দিনটি আমার জন্য কতটা আনন্দের, কতটা সুখের, কতটা ভালোলাগার তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়। আমি সত্যিই বলে বুঝাতে পারব না কতটা যে খুশি আমি, আমার পরিবার। আমি কৃতজ্ঞ আমার পরিবারের কাছে, আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কাছে, আমার বন্ধুদের কাছে। কারণ গানের পাশাপাশি ডাক্তারি পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া অনেক কঠিন একটি বিষয়। তারপরও আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে আমি ডাক্তার হতে পেরেছি। নিজের নামের আগে ডাক্তার শব্দটি বসাতে পারব এটাই অনেক গর্বের।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ‘ঐশী এক্সপ্রেস’ অ্যালবাম দিয়ে সংগীতাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। এরপর থেকে দিন যত গেছে এই অঙ্গনে ততই নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন নোয়াখালীর এই কন্যা। অ্যালবামের গান গাওয়ার পাশাপাশি মঞ্চ পরিবেশনাতেও তিনি প্রশংসিত। ২০১৯ সালে ‘মায়া দ্য লস্ট মাদার’ সিনেমায় ‘মায়া, মায়া রে…’ গানটি গেয়ে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তরুণ এই সংগীত তারকা।

About admin

Check Also

গুগলে চাকরি পেলেন চট্টগ্রামের মেয়ে শাম্মী

বাংলাদেশের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক নাম তিনি। বর্তমানে টেক জায়ান্ট গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.